শুক্রবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২২

| ২৫ অগ্রাহায়ণ ১৪২৯

KSRM
মহানগর নিউজ :: Mohanagar News

প্রকাশের সময়:
১৩:১৫, ২৪ নভেম্বর ২০২২

মহানগর ডেস্ক

চোরাচালান রোধে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে বসছে অত্যাধুনিক স্ক্যানার

প্রকাশের সময়: ১৩:১৫, ২৪ নভেম্বর ২০২২

মহানগর ডেস্ক

চোরাচালান রোধে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে বসছে অত্যাধুনিক স্ক্যানার

চোরাচালান রোধে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে বসছে অত্যাধুনিক ও শক্তিশালী ৪ স্ক্যানার মেশিন। শুধু চট্টগ্রামই নয়, স্থলপথের সবচেয়ে বড় বেনাপোল কাস্টম হাউসেও একটি এবং সাতক্ষীরার ভোমরা কাস্টম হাউসে বসবে একটি স্ক্যানার মেশিন। এতে সরকারের ব্যয় হবে ৩২৭ কোটি টাকা।

ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ-সংক্রান্ত দরপত্রের অনুমোদন দেয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এতে সভাপতিত্ব করেন। জানা যায়, মোট আমদানি শুল্ক আদায়ের ৮০ শতাংশ সংগৃহীত হয় এই তিনটি কাস্টম হাউসের মাধ্যমে। এর মধ্যে সিংহভাগ আদায় হয় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস থেকে।

এনবিআর সূত্র বলেছে, বাংলাদেশ কাস্টমস বিভাগকে আধুনিকায়ন করতে সরকার যেসব উদ্যোগ নিয়েছে, অত্যাধুনিক স্ক্যানার মেশিন স্থাপন করা হচ্ছে তারই অংশ হিসেবে। সূত্র বলছে, দেশের বিভিন্ন কাস্টম হাউসে বর্তমানে ১০টি স্ক্যানার মেশিন রয়েছে। এর মধ্যে ৪টি অনেক পুরোনো। সাধারণত একটি স্ক্যানার মেশিনের ব্যবহারযোগ্য মেয়াদ ১০ বছর। এসব মেশিনের আয়ুষ্কাল প্রায় শেষ পর্যায়ে। ফলে পুরোনো স্ক্যানারগুলো ভালো কাজ করছে না। যে কারণে নতুন স্ক্যানার কেনা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।

জানা যায়, যেসব স্ক্যানার আনা হচ্ছে সেগুলো খুবই আধুনিক। স্ক্যানারগুলো বসানো হলে কনটেইনারের ভেতর যা থাকবে সবই ধরা পড়বে। এতে করে অস্ত্র, মাদক, গোলাবারুদসহ অবৈধ পণ্য আনা বন্ধ হবে। পণ্য আমদানিতে মিথ্যা ঘোষণা নিয়ন্ত্রিত হবে। ফলে কমবে শুল্ক ফাঁকি।

এনবিআর বলছে, আধুনিক স্ক্যানার মেশিন বসানো হলে কায়িক পরীক্ষা কমে আসবে। কনটেইনারের ভেতর অবৈধ পণ্য আছে কি না, এসব স্ক্যানার মেশিনের মাধ্যমে সহজেই শনাক্ত করা যাবে। এতে পণ্য খালাসের সময় কমে আসবে।

এনবিআরের সাম্প্রতিক করা টাইম রিলিজ স্টাডিতে দেখা যায়, বন্দরে জাহাজ ভেড়ার পর কাস্টমস-প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পণ্য খালাস করতে সময় লাগে গড়ে ১১ দিন, যা বিশ্বের আধুনিক বন্দরগুলোর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

এ প্রেক্ষাপটে ব্যবসা সহজ করতে বাংলাদেশ কাস্টমস বিভাগে আধুনিকায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে এনবিআর। এ জন্য বিভিন্ন সংস্কার কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে কিছু বাস্তবায়ন হয়েছে। বাকিগুলো বাস্তবায়নাধীন। সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আগামী ৯-১০ মাসের মধ্যে স্ক্যানার মেশিনগুলো স্থাপন করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এসএ