শনিবার ২৫ জুন ২০২২

| ১০ আষাঢ় ১৪২৯

KSRM
মহানগর নিউজ :: Mohanagar News

প্রকাশের সময়:
১৬:৫৩, ৪ জুন ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক

যুবলীগের সমাবেশ শেষে অতর্কিত হামলা, ৫ কর্মী আহত

প্রকাশের সময়: ১৬:৫৩, ৪ জুন ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক

যুবলীগের সমাবেশ শেষে অতর্কিত হামলা, ৫ কর্মী আহত

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী যুবলীগের বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রতিবাদী মিছিল শেষে একপক্ষের অতর্কিত হামলায় ৫ যুবলীগ কর্মী আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আহতদের মধ্যে তিনজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

শনিবার (৪ জুন) দুপুর ১২টার দিকে নগরীর মোমিন রোডের আজাদী গলিতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। 

আহতরা হলেন- আকবরশাহ থানার যুবলীগ কর্মী মো. সোহেল (২৮), মো. রাসেল (২৮), মো. ফয়জুল আকবর (২৫)। তারা চমেক হাসপাতালের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া চমেক হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন আরও কয়েকজন। 

জানা গেছে, আহত সবাই নগর যুবলীগের কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গোলাম রসুল নিশানের অনুসারী। 

অন্যদিকে হামলায় জড়িতরা হলেন- নগর যুবলীগের আরেক সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী সাইফুল আলম লিমনের অনুসারী। তবে উভয়পক্ষ নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছিরের অনুসারী বলে জানা গেছে। 

প্রক্ষত্যদর্শীরা জানান, মিছিল ও সমাবেশ শেষ করে আজাদী গলিতে গোলাম রসুল নিশান ও তার অনুসারীরা বসে ছিল। এসময় একদল যুবলীগের কর্মী হাতে দেশিয় অস্ত্রসহ তাদেরকে মারধর করে পালিয়ে যায়।  

এ বিষয়ে নগর যুবলীগ নেতা গোলাম রসুল নিশান মহানগর নিউজকে বলেন,  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটুক্তি করার প্রতিবাদে আজ সকালে নগর যুবলীগের বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দিয়েছিলাম কর্মীদের নিয়ে। সমাবেশ শেষ করে নগরীর চেরাগী পাহাড় এলাকায় বসে থাকা অবস্থায় আমার নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় লিমনের অনুসারীরা। এতে আমাদের পাঁচ কর্মী আহত হয়। এদের মধ্যে তিনজনকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

বহিষ্কৃত ছাত্রনেতা সাইফুল আলম লিমনের ইন্ধনে তার অনুসারীরা এভাবে অতর্কিত হামলা করেছে দাবি করে এ ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানান তিনি। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হবে বলেও জানান তিনি।  

কোতোয়ালী থানার পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল কবীর মহানগর নিউজকে বলেন, দুপুরের দিকে নগরীর চেরাগী পাহাড়ের আজাদী গলিতে দুই যুবলীগ নেতার অনুসারীর মধ্যে মারামারি হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।

এইচবি/এসএ