শনিবার ২৫ জুন ২০২২

| ১০ আষাঢ় ১৪২৯

KSRM
মহানগর নিউজ :: Mohanagar News

প্রকাশের সময়:
১২:২৫, ২৪ জুন ২০২২

মহানগর ডেস্ক

২১ জেলার সঙ্গে সংযোগ ঘটাবে পদ্মা সেতু

প্রকাশের সময়: ১২:২৫, ২৪ জুন ২০২২

মহানগর ডেস্ক

২১ জেলার সঙ্গে সংযোগ ঘটাবে পদ্মা সেতু

পদ্মা সেতু

রাত পোহালেই স্বপ্ন পূরণের ঝিলিক দেখা দেবে বরিশাল-ভোলাসহ ২১ জেলার মানুষের মুখে। স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধনের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্তের দ্বার উম্মোচন হচ্ছে। খুলে যাচ্ছে বহুমুখি অর্থনৈতিক দ্বার।

সরকারি-বেসরকারি একাধিক কর্মকর্তা ও বিশিষ্টজন জানান, প্রত্যাশিত স্বপ্নের পদ্মা সেতুটি উদ্বোধনের সাথে-সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থায় আসবে নতুন দিগন্ত। পাশাপাশি খুলে যাবে এ অঞ্চলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠির বহুমুখি অর্থনৈতিক দ্বার। পাল্টে যাবে সামগ্রিক চেহারা। সৃষ্টি হবে

কর্মসংস্থানের, কমে আসবে বেকার সমস্যা। বদলে যাবে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের ভাগ্য। গোটা দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের হাতের নাগালে চলে আসবে রাজধানী ঢাকা। যে কারনে বৃহত্তর দক্ষিণাঞ্চল জুড়ে এখন বইছে আনন্দের জোয়ার। রাজনৈতিক, সামাজিক ও সরকারি-বেসরকারি প্রায় প্রতিটি মানুষের মাঝেই খুশি পদ্মা সেতুর সাফল্যে। অধীর আগ্রহে অপেক্ষা কাল ২৫ জুন সকালে স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর পরদিন তা খুলে দেয়া হবে সর্বসাধারণের যানবাহন চলাচলের জন্য।

পদ্মা সেতু বাস্তবায়নের ফলে সড়কপথে বরিশাল থেকে ৩ ঘণ্টায় যাওয়া যাবে রাজধানী ঢাকা। বদলে যাবে পদ্মার দক্ষিণ পাড়ে থাকা জেলাগুলোর মানুষের ভাগ্য। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন সময়ে একের পর এক সেতু নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে বর্তমানে কেবল পদ্মা সেতু ছাড়া আর কোনো ফেরি নেই ঢাকা-কুয়াকাটা সড়কে। সেই আকাঙ্খিত পদ্মা সেতুও উদ্বোধন হতে যাচ্ছে আর অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে। সেতুটি উদ্বোধন হলে ঢাকা থেকে কুয়াকাটা যেতে সময় লাগবে মাত্র ৫ ঘণ্টা।

পদ্মা সেতু চালু হলে বৃহত্তর দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পাশাপাশি পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা দ্বার উম্মোচন হবে।

পদ্মা সেতু উদ্বোধন হলে বরিশালসহ ভোলা জেলার মানুষ সব থেকে বেশি উপকৃত হবেন। কারণ দ্বীপজেলা ভোলায় একাধিক পর্যটন কেন্দ্র ও গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে। সৃষ্টি হবে নতুন কর্মসংস্থানের, কমবে বেকার সমস্যা। কৃষিজাত পণ্য সরবরাহে খুলে যাবে নতুন দিগন্ত। বরিশলের হিমায়িত মৎস্য, কাঁচা সবজীসহ সকল ধরনের রপ্তানিযোগ্য পণ্য থেকে আয় বাড়বে। পাশাপাশি কমে যাবে পণ্য পরিবহনের খরচ।
 

কেডি