শুক্রবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২২

| ২৫ অগ্রাহায়ণ ১৪২৯

KSRM
মহানগর নিউজ :: Mohanagar News

প্রকাশের সময়:
০৮:৫৭, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক

বনজের বিরুদ্ধে করা বাবুলের মামলার আবেদন খারিজ 

প্রকাশের সময়: ০৮:৫৭, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক

বনজের বিরুদ্ধে করা বাবুলের মামলার আবেদন খারিজ 

কথা বলছেন আইনজীবীরা

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রধান বনজ কুমার মজুমদারসহ ছয় পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আটকে রেখে নির্যাতন ও ফেনীর কারাগারে কক্ষ তল্লাশির অভিযোগ এনে আদালতে  মিতু হত্যার আসামি ও সাবেক পুলিশ সুপার বাবুলের আক্তারের করা মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২ টা ৪৫ মিনিটে  চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ ড. বেগম জেবুন্নেছার আদালতে শুনানি শেষে এ আদেশ দেয়া হয়।  

এর আগে ৮ সেপ্টেম্বর কারাগারে থাকা বাবুলের পক্ষে তার আইনজীবী মামলা নেওয়ার আবেদন করেছিলেন। 
আবেদনে গত বছরের ১০ থেকে ১৭ মে পর্যন্ত বাবুলকে পিবিআই চট্টগ্রাম কার্যালয়ে হেফাজতে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ করা হয় এবং হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইনে মামলার আবেদন করা হয়। ওইদিন আদালত সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর)  আদেশের তারিখ ধার্য করেন। 

সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ ছুটিতে থাকায় রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) আদেশের জন্য তারিখ ধার্য ছিল।

বনজ কুমার মজুমদার ও বাবুল আক্তার

যে ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছিল তারা হলেন—পিবিআইয়ের প্রধান বনজ কুমার মজুমদার, পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো পুলিশ সুপার নাইমা সুলতানা, জেলা পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান, পিবিআইয়ের পরিদর্শক এনায়েত কবির, সাবেক পরিদর্শক এ কে মহিউদ্দিন ও সন্তোষ চাকমা।

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর মো. ফখরুদ্দিন চৌধুরী মহানগর নিউজকে বলেন,  বাবুল আক্তার একজন পুলিশ সুপার ছিলেন। কোনো পরিদর্শক এসপির মতো পদের লোককে মারধর ও নির্যাতন করা অস্বাভাবিক। বাবুল আক্তার অনেক বার আদালত এসেছেন, জামিন চেয়েছেন। কিন্তু এই ১ বছর ৪ মাসে তিনি কোথাও আদালতে নির্যাতনের কথা বলেননি।

তাই আদালত মনে করেছেন, মিতু হত্যার মামলার আসামি হিসেবে মামলাকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য তিনি নতুন ভাবে এই আবেদন দিয়েছেন। তাই আদালত তার করা মামলা খারিজ করে দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বাবুল আক্তারের আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম মাওলা মুরাদ বলেন, নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন ২০১৩-এর ১৫ (১) ধারা এবং সংশ্লিষ্ট আইনের ৫ (২) ধারায় যে মামলার আবেদন করা হয়েছিল তা আদালত খারিজ করে দিয়েছেন। আমরা এই বিষয়ে উচ্চ আদালতে যাবো। 



 

আইসি/কেডি