রোববার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

| ৯ আশ্বিন ১৪২৯

KSRM
মহানগর নিউজ :: Mohanagar News

প্রকাশের সময়:
১২:৩৯, ১৫ আগস্ট ২০২২

ফটিকছড়ি প্রতিনিধি

মোবাইল চুরির অপবাদ দেওয়ায় ফার্নিচার মিস্ত্রির আত্মহত্যা

প্রকাশের সময়: ১২:৩৯, ১৫ আগস্ট ২০২২

ফটিকছড়ি প্রতিনিধি

মোবাইল চুরির অপবাদ দেওয়ায় ফার্নিচার মিস্ত্রির আত্মহত্যা

প্রতীকী ছবি

উপজেলা দাঁতমারায় মোবাইল চুরির অপবাদ দেওয়ায় রফিকুল ইসলাম (৩২) নামে এক ফার্নিচার মিস্ত্রি অপমানে বিষপানে আত্মহত্যা করেছে। ১৫ আগস্ট (সোমবার) সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। 

জানা গেছে, ব্যবসায়িক বিরোধের জের ধরে হেঁয়াকো বেক বাজার এলাকার এক নকশা মিস্ত্রি রফিককে মোবাইল চুরির জন্য সন্দেহ করে। গত রোববার সকালে কয়েকজন মিলে রফিককে স্থানীয় যুবলীগ নেতা কামরুজ্জামান কমলের অফিসে নিয়ে চার ঘণ্টা আটকে রেখে মারধর করে। রফিকের আত্মীয়রা ৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে তাকে উদ্ধার করে। রফিক নিজেও বেক বাজার এলাকায় ফার্নিচারের নকশার কাজ করে।

এ ঘটনায় বিকালে রফিক নিজ বাড়িতে গিয়ে অপমান সহ্য করতে না পেরে বিষপান করে। তার স্ত্রী বিবি কুলসুমা বেগম স্থানীয়দেরকে জানালে তারা প্রথমে বালুটিলা বাজারের মানিক ডাক্তারের দোকানে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানেই সোমবার সকালে সে মৃত্যু বরণ করে।

এ ঘটনায় নিহত রফিকুল ইসলামের স্ত্রী বিবি কুনসুমা বাদি হয়ে ৬ জনসহ অজ্ঞাত আরো ৩ জনকে বিবাদি করে ভূজপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছে। অভিযুক্তরা হলেন, মো.  ওসমান (৩০), হারুন (২৬), মুখলেস (৩৩), আবু তাহের (৫৫), রাজন( ৪২) ও আবুল কালাম(৩৫)। 

নিহত রফিকের মামা শ্বশুর হাসেম সেক্রেটারি বলেন, আমরা ভাগনী জামাইরে ব্যবসায়িক বিরোধের কারণে কৌশলে হত্যা করেছে। নেতা কমলের কিসের অফিস বুঝিনা। সেখানে সকাল ৯টা থেকে তাকে(রফিক) বন্দি রেখে মারধর করে। সেখান থেকে টাকা দিয়ে তাকে ছাড়িয়ে আনতে হয়েছে। পরে অপমানে সে বিষপান করে মারা গেছে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় যুবলীগ নেতা কামরুজ্জামান কমল বলেন, রফিক মোবাইল চুরি করে তার দোকানে ৫ /৬ টি কাঠের নিছে লুকিয়ে রাখে। সেখান থেকে খোঁজাখুজির পর মোবাইলটি উদ্ধার করা হয়। প্রথমে চুরির কথা অস্বীকার করলেও পরে তা স্বীকার করে। এসময় ৪০/৫০ জন লোকের সামনে তার আত্মীয় স্বজনের কাছে তাকে তুলে দেয়া হয়। এ ব্যাপারে মুক্তিপণ আদায়ের কথাটি ভিত্তিহীন।
 

কেডি